Pages Menu
TwitterRssFacebook
Categories Menu

কালানুক্রমিক

কবি

Posted by on May 9, 2016 in বাণী | Comments

কবি হওয়া অত কঠিন কিছু না। জাস্ট নিজের মত...

read more

মা মানে গরীব আত্মীয়

Posted by on May 8, 2016 in বাণী | Comments

মা মানে গরীব আত্মীয়। ছেলেমেয়েদের গরীব আত্মীয়...

read more

আমার দাদির মৃত্যু

Posted by on Mar 13, 2016 in স্মৃতি | Comments

আমার দাদির মৃত্যু

আমি ব্যক্তিগত ভাবে কাছের মানুষের মৃত্যুতে তেমন দুঃখ পাই না। আমার দাদির কাছ থিকা এই শিক্ষা আমি পাইছি। মনে হয় আব্বাও পাইছিলেন। দাদি আশপাশের মানুষ মরলে দেখতেও যাইতেন না। বলতেন, মানুষ তো মরবই! আমার দাদা মারা গেছেন হয় ছিয়াশি নাইলে ঊনানব্বই সালে। আমি তখন কুমিল্লার দাউদকান্দিতে দাদাবাড়িতে বেড়াইতে গেছিলাম। দাদা মারা গেছিলেন সন্ধ্যার পরে। একলা একটা ঘরে মারা গেছিলেন উনি। দুসম্পর্কের এক ফুপু তারে মৃত অবস্থায় প্রথমে দেখতে পান। তিনি চীৎকার দিয়া উঠলেন, জ্যাডায় তো আর নাই! আমরা হারিকেন জ্বালাইয়া আরেকটা ঘরে গল্প করতেছিলাম। মৃত্যুর আগে কী একটা অসুখে উনি ভূগতেছিলেন। ওনারে তেমন মনোযোগ দেওয়া হয় নাই। অসুস্থ ছিলেন বইলা সেই সময় আমিও খুব কাছে ভিড়ি নাই ওনার। এমনকি এখনও আমি জানি না কী হইছিল ওনার। আমার তখন তো কম না বয়স। ঊনিশ বা বাইশ। কিন্তু আমরা এই রকমই ছিলাম। দাদার মৃত্যুর পরে দাদিরে কানতে দেখি নাই। উনি প্রথমেই যা করলেন—সবুজ বা নীল, এখন আর মনে নাই, শাড়ি বদলাইয়া সাদা একটা শাড়ি পরলেন। পরদিন আব্বা-আম্মা ভাইবোনরা বাড়িতে আসল। দেখলাম আব্বা কর্তব্য কাজগুলি করতে ধরলেন। উনি কান্নাকাটি করছিলেন তেমন মনে পড়ে না। এবং আমিও কান্দি নাই। আমারে আব্বা পাঠাইলেন টাঙ্গাইলের এলাসিনে। ফুুপুরে নিয়া আসতে। ফুপুদের বাসায় ফোন নাই। খবর দেওয়া যাইতেছে না। দাদারে কবর দেওয়ার অনুষ্ঠানে থাকা হয় নাই আমার। একলা একলা টাঙ্গাইল যাইতে হইল। ফুপু আসার আগেই দাদারে কবর দেওয়া হইয়া গেছিল। যেন এই সবই স্বাভাবিক—এই ভাবেই আমরা ভাবতে শিখছিলাম। পরে আমার দাদি মারা গেছেন ২০০৬ সালে। আমি কোনোদিন ওনারে দাদার কথা বলতে শুনি নাই। এমন না যে ওনাদের সম্পর্ক খারাপ ছিল। আগেরকার পারিবারিক সংস্কৃতি হয়তো এই রকমই ছিল। বা আমি হয়তো ডিটাচড ছিলাম সবার থিকাই। দাদি ওনার নিজের আসন্ন মৃত্যুরেও খুব স্বাভাবিক ভাবে নিছিলেন। আমি তখন পান্থপথে স্কয়ারের উল্টাদিকের ষোলো তলার বাসাটায় থাকতাম। একদিন শুক্রবারে হইতে পারে, বাড্ডায় গেছি আব্বা-আম্মার বাসায়। দাদি একটা রুমে শুইয়া ছিলেন দুপুরবেলায়। আমি ওনার ঘরে ঢুকতেই শোয়া থিকা উইঠা বসলেন। ডাইকা কাছে বসতে বললেন। বিছনায় বসতেই আমার হাত ধরলেন ওনার শুকনা দুই হাত দিয়া। বললেন, বাই রে খবর আইয়া পড়ছে। আর দেহা অইত না। এর কয়েক দিন পরে কুমিল্লা গেলেন তিনি। সেইখানে মারা গেলেন।...

read more

জলে মৃত্যু – ২

Posted by on Dec 6, 2015 in কবিতা | Comments

(সিদ্ধার্থ হককে) ঠাণ্ডা ও স্থির শীতকালীন পুকুরের অল্প গভীরে আমি শুয়ে আছি মাছেদের অনুরোধে মাছের সমাজ জলতল ছেড়ে উঠতে আমাকে দেবে না তারা চায় আমি স্থির শুয়ে থাকি চিৎ হয়ে— কেননা আমার চিন্তা অল্পপ্রাণ, তাতে কিছু নাই তাদের ঘোষণা—জলের গভীর চিন্তা অল্প জলে আমি করি এই পাপ মাছের সরল জীবনধারা অ্যালাউ করে না তারা চায় শুয়ে থাকা অল্প গভীর কোনো পুকুরের তলদেশে, যার নাম নাই। পুষ্করিনী ধরণীতে অসংখ্য অসংখ্য যার নাম নাই কিন্তু বহু তলদেশ আছে আছে অল্প পানি ক্ষুদ্র প্রাণ পচা পাতা শামুকের খোল কিংবা অবহেলা অকারণে মরে যাওয়া সুপ্রাচীন গোপন মাছেরা কাঁটায় কাঁটায় তারা ঘুরিতেছে জীবিত মাছের স্রোতে তাদের আভাস অতি সূক্ষ্ম দেখা যায় কাদার সমূহ স্তর এলোমেলো করে তারা উঠে আসে নেমে যায় ধীরে ধীরে ঘুরতে ঘুরতে যেন তারা নাই যেন তারা চলে গেছে—নিতান্ত শায়িত আমি কোথা আছি কেউ তা জানে না শুধু মাছেদের রাষ্ট্রযন্ত্র তটস্থ সমাজ তারা জানে আমার স্ট্যাটাস কিন্তু তাদের অত তাড়া নাই কম্পাস দণ্ডের প্রায় শুয়ে থাকা মানব শরীরে পরিত্রাণ দিয়ে যায় জীবিত মাছেরা— তারপর উর্ধ্বে ওঠে পুকুরের পৃষ্ঠ থেকে চর্তুদিকে নির্বাপিত লোকালয়ে বন্দি সব গাছ দেখতে যায় তারা দূর আর নিচ থেকে গাছেদের বিশ্বরূপ দেখে আবার নিকটে আসে মাছেদের সন্তরণ দেখা ছাড়া আর পানি আছে ঘোলা ও স্বচ্ছ রূপে একই জল সূর্যালোকে বিধাতা বঞ্চিত আমি পানি দেখি পানিদের নেমে আসা দেখি—দেখি সূর্যালোক নেমে আসে পানিপথে তাই সূর্য দেখি বলা যায়, তাই বলা যায় আমি জীবিত বা মৃত একান্ত জীবিত কিংবা মৃত আমি নই, যদি ভাসমান কিন্তু শায়িত আমি পানির গভীরে আমি যেন বা পাথর পাথর বিষণ্ন কোনো নদীপথে সাঁঝবেলা ঝরাপাতা স্তূপ। যেন সকলই আমার মধ্যে—আমি সব রূপ আমি একা একা দেখা দেই, শীত গ্রীষ্ম শরৎ হেমন্তে আমি নিজে দেখা দেই—পুকুরের তলদেশে আরো বহু পুকুরের গোপন সন্ত্রাস পথে, যোগাযোগে, আমি ভাসমান অল্প গভীর কোনো পানিদের তলদেশে, আমার এই স্থির সন্তরণ আত্ম ও অপর সব নিজ নিজ জলের গভীরে স্থিত ভাসমান শুয়ে থাকা নয়শো বছর যেন কোনো মাছই আমি প্রাগৈতিহাসিক কোনো শুয়ে থাকা পাথুরে নদীর অথবা শ্যাওলা দলে শ্যামা পোকা কাঁপিতেছে উর্ধ্বে কোনো জলযান মলিন কাঠের তৈরি আমার ওপরে। বোমারু বিমান থেকে নিজেকে বাঁচাতে আরো নিচে নামতে চায় আরো বেশি অহিংসতা চায়, যেন কোনো কচুরিপানাই কিংবা ঝোপের আড়াল তাকে রক্ষা করবে এমন নিযুত আশা আমার প্রতিই। কিন্তু দেখো, সব দৃশ্য আধা আধা— আছে আর নাই যেন এক সঙ্গে অভিনীত দর্শকবিহীন। কিংবা আছে মহাকাল, বেখেয়ালে দেখিতেছে, পৃথিবীর ধ্রুব রূপ নিত্য বদলের— অবিরাম খোলা চোখে এসবই দেখতে হচ্ছে, তাই আমি দেখতে থাকি। হয়তো দেখি না— হয়তো শুধু স্বপ্নে দেখি এইসব যেহেতু পানির মধ্যে, নিচেও তো, তাই মাছ স্বপ্নে দেখা দেয়— অথবা বাস্তব তাই মাছের ভাষায়, কথা বলে, সঙ্গ দেয় কিন্তু সবই আবছা আবছা, জলীয় টলীয়— আমার শায়িত এই জীবদেহ, জলমধ্যে মাছের বাহিনী মারে ও জীবিত রাখে ঠুঁকরে দেখে যায় কীভাবে বা প্রজাতি বদল ঘটে তাদের পরীক্ষাগারে, কীভাবে জটিল জৈববস্তু—চিন্তাশীলও—গভীর জলের মধ্যে চেতনা হারায়। ৬ ডিসেম্বর...

read more

ভেরি ফিশি সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল

Posted by on Sep 21, 2015 in কবিতা | Comments

একটাও মাছ না পাইলাম যে কতই চমৎকার হি হি কতই চমৎকার! একটা মাছ পাইয়া ফেললেই কমত চমৎকার শেষে কমত চমৎকার দুইটা মাছ ত পাইতে হইলে হইত সাধারণ আহা সব কিছুই তখন কিন্তু হইত সাধারণ তিনটা মাছের প্রাপ্তি আমার ঘটল অকারণ মানে, পাইলে তাইলে বলা যাইত দুলাল ভাইয়ের তিনটা মাছের কারণ অকারণ চাইরটা মাছের ধরা পড়া বড়ই অত্যাচার যে জন একটাও মাছ পাইল না হের চাইরটা মাছের গাছ— এ কি কুকিল নাকি দোরা কাউয়া যে তুমি পানির নিচে হাত পাতলেই কান্ধে দিব ডাক ইটস এ বেঙ্গলিয়ান ক্যানাডিয়ান ফিশিং ফিশিং ফাক!...

read more

মর্যাদা

Posted by on Sep 10, 2015 in বাণী | Comments

মর্যাদাই প্রথম...

read more

আমাদের সহজ পৃথিবী

Posted by on Sep 4, 2015 in কবিতা | Comments

পৃথিবী মানুষদের থাকবার জায়গা। তারা এখানে ঘর বাড়ি বানিয়ে বসবাস করে। মানুষের অনুমতি নিয়ে কিছু পশু পাখি মাছ ও কীটপতঙ্গও থাকে পৃথিবীতে। অনেকগুলি গাছও আছে পৃথিবীতে। ওরা মাটিতে ঢুকে পৃথিবী থেকে আকাশের দিকে ঝুলে থাকে। অনেক গাছগুলি যখন একত্রে বসবাস করে ওদের জঙ্গল বা বন বলা হয়। পশুপাখিগুলি সাধারণত জঙ্গলের গাছগুলির নিচে দৌড়াদৌড়ি করে ও ঘাস খায়। কিছু পশু, যেমন বানরেরা, গাছগুলির উপরে ওঠে ও কখনো সেখানে বসে থাকে। পাখিরাও গাছে বসে। এবং ওরা অনেক, মানুষদের থেকেও বেশি কথা বলে। মানুষদের সাধারণত গাছের নিচে বসতে দেখা যায়। মানুষ জীব হিসাবে লাজুক প্রকৃতির। তারা সচরাচর তাদের যৌনাঙ্গ ঢেকে রাখে। তবে মানুষ খুব কম জঙ্গলে থাকে। তারা শহরে থাকে ও গ্রামে থাকে। মানুষদের বেশির ভাগই ভাত খায়, আটা খায়। মানুষের চামচামি করার জন্য পৃথিবীতে কুকুর নামে এক ধরনের জীব কিনতে পাওয়া যায়। একবার একটা কুকুর কিনলে মানুষেরা সারা জীবন সেই কুকুর দিয়ে তাদের বাসাবাড়ির অনেক কাজ করায়। যেমন বাসা পাহারা দেওয়া। বাসা পাহারা দেওয়ার জন্যে কুকুরেরা গলায় বেল্ট পরে বাসার সামনে চরকির মত ঘুরতে থাকে। তখন তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অবলা বুদ্ধিজীবীদের মত দেখায়।...

read more

বহুগামী কবিদের টাইডাল ওয়েভ

Posted by on Jun 14, 2015 in কবিতা | Comments

বুঝছো—তুমি একটি বারই ব্রেক আপ করবা বয়ফ্রেন্ড ছেড়ে আইসা পড়বা বিকালের আগেভাগেই। এরপর আমরা দুইজন মিলা ঘুরতে থাকব ছন্দে ডানে তাকাইব আনন্দে আর বামেও তো একই আনন্দ। শাহবাগেই কত পরীরা ঘুরছে, ওরা ছোট কবিদের বন্ধু, তোমারে ছাড়াও ওদের সঙ্গে করব— বেংলা কবিতার মায়রে চুদব পেয়ারার গাছে দাঁড়কাক আছে চোদাচুদিময় বাংলা! মেয়েদেরই দিকে তাকাইয়া থাকব, আমরা— অন্য কারো কি এসব ব্যাপারে মতামত নিব, কামু কী বলেন আপনি?...

read more

রাস্তায়

Posted by on Jun 7, 2015 in কবিতা | Comments

সকলে যেদিকে দৌড়ে চলেছে সেদিকে তুমি কি যাবা না না নাকি? ভোরবেলা ছিল অন্য রকমই যত দিন হলো আগেকার সব ঘটা ঘটনারা একে একে সব ঘটতে চলেছে? এখন আবার ধুলায় বসিয়া কানতে থাকবা ওগো পাঠকিনী? এই এই করে কত দিন গেল তোমার আগেই পৃথিবীর চাকা সে সে পথ দিয়ে ঠিক চলে গেছে তবে এও ঠিক চাকাদের দিন অল্প দিনেরই। তবু, তার আগে যদি ফিরিতে না পারো পথেই তোমার দিবস ফুরাবে বড়জোর তুমি জীবনানন্দের গ্রেট কবিতাই পড়তে থাকবা ভাবতে থাকবা গ্রামে গেছো গিয়া। গ্রামে কারা পড়ে জীবনানন্দ?...

read more

কবির দল

Posted by on Jun 5, 2015 in কবিতা | Comments

দেখো বয়স্ক আর হাড্ডিশুখনা রামকবিদের দল পরস্পরের পাখনা ধরে ঘোঁট পাকিয়ে পরস্পরে রাজার ক্ষেতের পাড়ে যেন উবে যাওয়ার আগমুহূর্তে পায়ের পাতা শক্ত করল মার্তৃগর্ভ ছেদন করল তারপর তারা দাঁড়াল ভয়ঙ্কর। যারা জায়গা পায় নি সামনাসামনি রাজার চাইতে একটু বয়স কম তারাও ক্ষেত ছাড়ে না ক্ষেতের পাশেই একাডেমি সেথায় সভার কাছেই রাজার দিকে তাদের লম্বা হাত বাড়ানো কাউয়া এসে বসেছে দীঘল হাতে— তাদেরও আশা পূর্ণ হলো রাজাটি যখন হাসিল উত্তরে। আর ওই যে বাচ্চা কবির তরুণ ছবির করুণ দেখা পাওয়া— তাও যাচ্ছে পাওয়া। ওরাও, তেমন তরুণ যদিও নয়, তবু বড় কবিদের লাগোয়া দল ওরা— ওরা ছাপাই দঙ্গল— ওরা নাতি কবি নাতনি কবি আরো কবিদের সঙ্গে নিয়ে ফুলের দণ্ডসম ওই তো ঝকমকাচ্ছে— যেন ফুলের দলটি কাকে দেবে আর কাকে দেবে না নিজেদের ওরা ঠিক রাখতে পারছে না। এরই মধ্যে এদের মালিক যারা ইন্ডিয়ারা যেই, বিমান থেকে নামিল ঢাকা ক্লাবে— প্রথমে একজন পদ্মশ্রীই তো দৌড়ে গেলেন তারপর গেল ফুলের দলটি ততঃপরে মাঝারি কবি হেলতে দুলতে বড় কবিরা রাজাটি সঙ্গে করে। না, মহাভারত থেকে মোদীর সঙ্গে পাইকার কোনো কবি আসে নি তাই আপাতত তারা কুর্নিশিবেন ক্লাবে, দেবেশ রায়ের দ্বারে।...

read more