প্ররোচনা

কবিতা

যে সব উদ্বাস্তু সঙ্গে প্রেম ছিলো
ভাবের বাণিজ্য গুরুতর
তারা আজ
অন্য কারো প্রতি মজি
দুর্দান্ত প্রণয়ে উচ্চতর; কাহ্নুগীতি
প্রাহ্নানন্দে গায়


স্হগিত। তোমার দৃষ্টি। অন্তরীণ ।
খোলো চোখ
দেখো যত স্বপ্নের চরিত্র
রয়েছে তোমাকে ঘিরে–পাঠ করছে–অবান্তর
শয্যার বর্ণনা


শোনো আজ এই ভ্রম প্রস্তাবিত,
কুণ্ঠায় রচিত
ছিলো, আমাদের প্রেম মাত্র ভাষা ব্যবহারে
ছিলো তোমারে উদ্ভাস
ভ্রান্তিময়;
একথা সংশয়ে বলি ক্লান্তিকর লৌকিক ভাষায়


এই যে পথের পার্শ্বে
যাদের চরণচিহ্ন–
অনর্থক ভাষার মারপ্যাঁচ;
স্তব্ধ হোক। তুমি চোখ তোলো।
দেখি, কোথায় অযথা বাক্য
থেমে যায়;
অবলীলাক্রমে


ধরো এই হাত আমি
অন্ধের জ্যেষ্ঠভ্রাতা
হেঁটে যায়, আগাছার সাথে কার
সম্পর্ক তেমন?

যাহা তোমার প্রশ্রয়ে হই
প্রগল্‌ভ;
–সহনশীলতা! তব সঙ্গে লহ,
অগ্র হও, না করো পশ্চাৎ


ওগো ছলোছলো চক্ষু
স্নেহপসারিণী–
ওগো প্রণয়সম্ভব করো প্রতারণাযোগ্য তুমি
না রাখো সংশয়;
আমি যথাবাক্যস্থলে,
তোমার বন্দনা করবো, উদ্ধৃত্ত কথায়


না করো করুণা শোনো স্থিরজলে আর্তপ্রতিকৃতি
পক্ষপাতে ভেসে যায়…
করুণা তোমাকে করে; না ভাঙে
হঠাৎ বায়ু-প্ররোচনা শুনে
চোখ রাখে সন্দিহান তোমার নয়নে;

তোমার বিচ্যুতি করো! পা রাখো অস্থির
দুই নৌকার গলুই-এ
যাহা বর্জ্য বেঁধে রাখো দুর্বল প্রতিমাপুঞ্জ, দীর্ঘ এপিটাফে।


বলো করো কেন কুণ্ঠা গুণ্ঠন লুটাও আধোলীনা।

যদি পথভ্রষ্ট তুমি
দষ্ট হও, ক্লেশ করো, অর্ধযতি হও!
স্বেচ্ছাচারে নত হও, পোড়াও অঞ্চল
তুমি পূর্ণরতি হও!

ও যার দ্বিধার মাত্রা হিমাংকেরও নিচে
তারে শুধাও কুশল
তারে জনসভা ডেকে
করো গো চুম্বন তুমি হীনেগতি হও!


না হয় বিরহ বলো,
বলো তবে হৃদয় মধ্যাহ্ন;
আমি তোমার যাতনা স্মরি
তব দুখবর্ষ আজি উদযাপন করি।

১৯৯১

Flag Counter

Previous
শিক্ষাসফর
Next
গরুর রচনা

ফেসবুক ফলো

ফেসবুক পেজ

August 2017
S M T W T F S
« Aug    
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  

ইনস্টাগ্রাম

[instagram-feed]