চতুর মেঘলা দিন

চতুর মেঘলা দিন,

তোমাকে চতুর বলতে ভালো লাগছে

তাই বলছি। বস্তুত যা মেঘলা তা তো

তেমন চাতুর্য নয়

যতটা বিষণ্ন কিংবা যতটা বর্ষণ

তত আমার বিরহ নয়

আমার এটুকু মাত্র—

 

তুমি সঙ্গে নেই।

 

০৯/০৯/১৯৯৪ 

 

kalidas1

Flag Counter

গ্রামবাংলায় আমরা

আমরা গেলাম গ্রামে বাচ্চাদের সঙ্গে প্রেম করতে
মাসুদ খান ভেবে বললেন, কোথায় এলেম ভাই মরতে

গ্রামমধ্যে ম্যাঙ্গানিজ, কুলবধূ, হীনম্মন্য ছাতিমের গাছ
দাঁড়িয়ে নদীর কূলে, পরস্পরে বচসা করে, ফলে বারো মাস

বাচ্চাদের প্রোপাগান্ডা, গোলো চক্ষু, লেজোঅগ্রে ভাবনার বিকেশ
–সিলিকন চিপসের কবি, আপনাকে, আদ্যোপান্ত করবো নিকেশ

মাসুদ খান ভয়ে কাষ্ঠ, কাষ্ঠে জাগে কেন্দ্রাতিগ টান
বাচ্চাদের কাঠে ভক্তি, কাঠে প্রেম, কাঠঅন্তপ্রাণ
তার কাঠ কাটে আর গায়:

কাঠ নাই রে কাঠ নাই রে কাউটঠারো তল্লাট
ভাসে লাট সাহেবের খাট
তাতে কেলি করেন পরস্পরেন
মূর্খ ও আকাট

আমরা ছয় তলাতে ফ্লাট
আমরা ঘরের মধ্যে নদী
আমরা নদীর মধ্যে বাউয়া ব্যাঙে
করছি চোদাচুদি

তাতে জাগছে ছত্রখান
জাগো বঙ্গেরও সন্তান
গাহো কার্বনেরও গান

তাই যাচ্ছে প্রেম আমাদের হারিয়ে হারিয়ে
ফের করবো শুরু বাচ্চাদের, লেজ চঞ্চু চক্ষু আর, চামড়া ছাড়িয়ে।

রচনাকাল: ১৯৯৩ । আকাশে কালিদাসের লগে মেগ দেখতেছি (২০০১)

Flag Counter

স্তন

স্তন । এই নারীবাক্য অধিক বিশেষ্য। মহাপ্রাণ ধ্বনিতে নির্মিত মাত্রা -জ্ঞান -শূন্য গোলক। অদৃশ্য বলয়যুক্ত যাদুঘর। ক্রমস্ফীতি। মেটাফিজিক্স। গোলক–যা বর্তুল, প্রাণময় । এই স্তন ধর্মসংক্রান্ত।

প্রিয় স্তন, খুলে বক্ষবন্ধনী আজ আব্রু রক্ষা করো ।

ঐ স্তন দ্যাখো লাফিয়ে উঠেছে শূন্যে — মহাশূন্য: বিপরীতে সামান্য শূন্যের। ওই ভীত শিশুদের জন্ম হচ্ছে যত্রতত্র –তারা গান গাইছে জ্যামিতির–করুণামিতির। হেসে উঠছে বর্তুলজাতক। কী যেন বাঁশির ডাকে জগতের প্রেমে, বাহিরিয়া আসিতেছে সলাজ হৃদয়।

কেন এই স্তন বার বার! বাৎসল্যবিহীন যারা, লক্ষ করো, কীভাবে ব্যক্ত হয়ে উঠছে বাহুল্য; ওই ব্যক্তি হয়ে ওঠে স্তন–নারীবাদিনীর, ছুঁড়ে ফেলা ছিন্ন স্তন ফুঁসে উঠছে স্বীকৃতিসংক্রান্ত। তাকে দাও অধিকার– বিন্যস্ত হবার; তাকে শিশুদের হাত থেকে রক্ষা করা হোক!

ঐ স্তন ঘিরে ঘুরে আসছে মারাত্মক ভাবুক প্রজাতি। ভয়ে ও বিনয়ে, নুয়ে পড়ছেন অধ্যাপক–বিশুদ্ধ জ্যামিতি। ঐ স্তন ঘিরে উঠেছে সংক্রামক নগরসভ্যতা; ফেটে পড়ছে ত্রিকোণ-গোলক–

ঐ স্তন জেগে উঠেছে চূড়ান্ত —

ডাকো স্তন, হীনম্মন্যদের!

১৯৯২

Flag Counter

এই যদি গ্রামবাংলা

এই যদি গ্রামবাংলা–ভালো লাগল

ভালো খুব–ট্রেনের জানলা দিয়ে

দেখা গেল গ্রামবাংলা –বৃষ্টিটলমল

প্রাকৃতিক সংবেদনা–কৃষকের ছেলে

মাছ ধরছে খালের পানিতে

এসে বাতাস লেগেছে–ঢেউ

জেগেছে বর্ষায়

হাঁটছে মাটির রাস্তায়

সিক্ত ছাগলের পাল–আর

ট্রেনের জানলায়–দেখা যাচ্ছে

মধ্যবিত্ত–জর্জরিত মধ্যবিত্ত

চিপস খাচ্ছে–চিপস খাচ্ছে–চিপস খাচ্ছে–আর

দেখে নিচ্ছে গ্রামবাংলা –আজিও বর্ষার ।

 

১৯৯২ (?)

 

kalidas1

Flag Counter

ছাগল

উহা চতুষ্পদ। কারণ চার পা। যাহা ক্ষুরযুক্ত। অ্যালয়ের। কেননা ভূত্বক মাড়াইয়া চলে। তখন শব্দ হয়। এই শব্দ, বিশারদরা বলেন, মৃদু  শব্দ।

যাহা ছাগল তাহা বিশেষ্য, তাহা সর্বনাম, তাহা বিশেষণ, এবং অব্যয়, আর ক্রিয়া। আর তাহার ক্রিয়া—অব্যয়।

২.
এবং কেন এমন হয় যে তার কোনো গৃহ নয়। হায় জ্যামিতির অভিভাবক। নিখিল বৃত্তের পরিব্রাজক তুমি। আজ সর্বজনীন ছাগল ডাকছে। গোবি সাহারা সাইবেরিয়ায়।

৩.
এবং এই সংযোজক অব্যয়, যা অব্যাহত রাখে তোমার সঙ্গে তোমার প্রপিতামহের মূঢ়তা—অর্থাৎ জ্ঞান—অর্থাৎ সন্দেহ।

হায় সাধারণীকরণ, ভাষাবিজ্ঞানের জাজ্জ্বল্য সমস্যা। কেঁদে উঠছে বার বার। হায় প্রাণিজগতের ফুলস্টপ, তুমি ক্রন্দনবিদ্যার জননী। হায় সার্বভৌম তৃতীয় সন্তান। বৃত্তাকারে ঘুরে যাচ্ছো। কোন দিকে, এবং সেইসব ছাগলেরা আজ কোথায়, যারা নিজেদের দড়ি নিজেরাই খেয়ে ফেলেছিল?

আর এই সন্নিহিত ভদ্রতাবোধ। ব্যক্তিত্বের বর্ষাকাল। হায় খোদার খাসি। চূড়ান্ত স্বাধীনতার কনসেপ্ট। তুমি অধিক মানব। স্রষ্টার ব্যক্তিগত প্রাণী। আজ মুখ খোলো—

হায় ব্যা, হায় অব্যক্ত সম্প্রদায়!

১৯৯২

 

 

এই দেশে বৃষ্টি হয়

কহে ব্রাত্য শুনো শুনো—যত আছ অভাজন
কূটকাব্যে আনন্দ বিস্তর
আজি দিন ভ্রমাগত—চতুষ্পার্শে নাশগীত
জাগিছেন প্রকৃতি আহলাদে

১.

এই দেশে বৃষ্টি হয়, এসব বৃষ্টির
কার্য ও কারণ নেই; আমরা অক্লান্ত জনগণ
দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে এই বৃষ্টি দেখি, যারপরনাই
কৌতূহলহীনভরে
আমাদের নাগরিক রুচির দরজায়
বৃষ্টির পানির কোনো আবেদন, ইসথেটিক্স নেই
ব্যক্তিগতভাবে আমরা বর্ষার বিরুদ্ধে
বৃষ্টির আহলাদে মন নাচে না ময়ূর আমাদের
আমাদের অন্তর্গত ব্যুৎপত্তির কল্যাণে
উপলব্ধি করি আমরা
ওভাবে বলবার কোনো কিছু নেই:
‘অন্ধকার মধ্যদিনে বৃষ্টি ঝরে মনের মাটিতে’…

যদি বৃষ্টি ঝ’রে থাকে,
যদি সেই মৃত্তিকার দশা হয় কর্দমে পিচ্ছিল
সে-সব বলবার কোনো কথা নয়, এখনও অনেক
অনেক সমস্যা আছে, যার
সমাধান তো বহু বহু দূরের ঘটনা, নেহায়েৎ সমস্যা বলেই
প্রতিভাত হয় নি এখনও। তাই,
দরজা বন্ধ করে দিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে
শুনি বর্ষার ক্রন্দন
শুনি, কারা যেন গেয়ে যাচ্ছে আষাঢ়শ্রাবণ

আর এইসব বৃষ্টির পতনে
আমাদের নৃত্যকলা শিল্পগীত সাহিত্যদর্শন
যে যার নিজের ইচ্ছা বাপের ইচ্ছায়
বিকশিত হতে থাকে; বিকাশের নিয়ম রয়েছে—
তাই, বিকশিত হই আমরা নিয়মিতভাবে।
আমাদের নিয়ামক পছন্দ রয়েছে
বাবু রবীন্দ্রনাথের হীন বর্ষাপ্রীতি আমরা কখনও
পছন্দ করি নি, আমরা
নির্ভেজাল শুষকো থাক্তে চাই।
আমরা বুঝতেই পারি না, কী ভেবে যে রবীন্দ্রনাথ
গুণকীর্তন করতেন বর্ষার!

এখানে বৃষ্টির অন্ধকারে
সহসা সন্ত্রস্ত হয় আমাদের সাবকনশাস্!
পুরাকাল থেকে তেরছা ক্রুদ্ধ বজ্রপাত
হয় বলে মনে হয়, আমরা বিনীত জনগণ
নিমীলিত নেত্রে দেখি ভাবের জগতে
সদা বৃষ্টিপতনের
কী এক মহড়া চলছে! রুইকাতলারাঘববোয়াল
সব ভেসে উঠছে চারিধারে, বারিধারা ভেসে যাচ্ছে
মুহুর্মুহু পয়সার ঠেলায়…

২.
কোথা থেকে আসে এই নোংরা জল, পলিব্যাগ
গভীর জলের মাছ, জন্মনিরোধক? (আরো যা যা আসে আর কি)
রাশি রাশি নথিপত্র, নূহের জাহাজ
ভরা সাহায্যবহর
আসে সউদি শেখ তেলের ড্রাম বাজাতে বাজাতে
আসে বর্জ্যের কাফেলা, সব
গিলে নেন মাতা ঔদরিক।

আর বৃষ্টি হলে আমাদের ভালোই লাগে না
আর বৃষ্টি হলে ভিজে যাই আমরা সকলে
আর ভিজতে ভিজতে আমরা ক্রমশ
প্রকাশিত হতে থাকি
আমাদের মধ্যে কোনো আড়াল থাকে না, হায়
আড়ালবিহীন হয়ে কিভাবে বাঁচবো আমরা
আমাদের ব্যক্তিগত জীবন রয়েছে
ব্যক্তিগত দেহ আছে, প্রাতঃকৃত্য আছে
ব্যক্তিগত ব্যাপারে আমরা কথা বলতে একদম
পছন্দ করি না
আমাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার সহজ নয়, সরলতা নয়
আমাদের ব্যক্তিগত প্রত্যেক বিষয়ে
খুব মেরুদণ্ড আছে, কোনো বৃষ্টির সংশ্রব নেই
প্রকাশনা নেই

তবু কেন বৃষ্টি হয়? তবু,
এই তবু জীবনানন্দের তবু নয়;
এই তবু আমাদের উষ্মার প্রকাশ
এই তবুকে ইগনোর করে বৃষ্টি দীর্ঘ মহাকালব্যাপী
এই দেশে মহাকাল অত দীর্ঘ নয়
আমাদের মহাকাল—ব্যক্তিগত, নিজের ব্যাপার।
তাতে সময়চেতনা, কোনো ইতিহাস
অধ্যাপনা নেই, তাতে অর্থনীতির ছাত্রী বসে আছে
এ কা কি নী
জীবনের অর্থ খুঁজিতেছে
তাকে অর্থ দাও, কীর্তি দাও, সচ্ছলতা দাও
তাকে বিপন্ন বিস্ময় দাও, একদিন জোর করে
বৃষ্টিতে ভেজাও। বলো,
মহাকালে এইরূপ বৃষ্টি হয়ে থাকে।

৩.
তোমার অলক্ষ্যে যাহা বারিপাত, পতনঘটনা
তাহা নিজে নিজে বৃষ্টিপাত, নিজের রটনা
তাহা নিজের ইচ্ছায়
ইচ্ছারূপ প্রকাশিত বিশুদ্ধ অস্তিত্ব, তাহা বিশুদ্ধ ঘটনা
তাহা না-যদি ঘটিছে তবে সকলই স্থবির, সব চিরবর্তমান।
তাহা ঘটছেন বলেই, আমরা বিগতকাল আমরা গোধূলি
আমরা সদা যা চাহিছে মন অতীত অতীত

আর অতীত অতীত নহে যথাযোগ্য, যদি তাহে
না ঘটে ঘটনা, যদি নাহি বৃষ্টি নাহি গান
দিন গেল…দিন তবে যায় কি কখনও? দিন—
বসে থাকে কর্ম নেই, কোনোরূপ অপরাহ্ণ নেই;
শুধু রাত্রি শত রাত্রি আমাদেরে আচ্ছাদন ক’রে
আমরা রাত্রিতে আশ্রয় আমরা
শ্রাবণে উদ্ধার, আমরা একদিন দুইদিন যদি বৃষ্টি হলো
আমাদের দিন গেল বৃষ্টি দেখে দেখে…

আর লক্ষ্য করো মন তুমি অতীত বিষয়ে
কথা বলো, কেমন যে ভালো লাগে উতল হাওয়ার
আন্দোলন টের পাওয়া যায় যেন বৃষ্টি হচ্ছে
অন্ধকারে, ভ্রাম্যমাণ নদীর কিনারে।

৪.
আজি দিন বড়ো বৃষ্টি নাই, আজি দিন
শ্রাবণ কোথায়? কোথায় মেঘের পরে মেঘ
জমেছে, মেঘের নাহি শেষ?
শ্রবণে না পশে রিমঝিম
শ্রবণে ঘটিছে নীরবতা; হেরো মন
বিজুরিবিদ্যুৎ
ঝলকিছে আঁখির তারায়
আজি আঁখির তারায় রামধনু
আজি ঝরে পড়ো ওগো মেঘ,
বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়ো দেবতা আমার
তুমি জলীয় দেবতা, তুমি বাষ্প মাত্র, তুমি মেঘ
উঁচুতে উঁচুতে
বাস করো, ভেসে যাও, ভাসার ব্যাপারে
নিতান্ত অভিজ্ঞ তুমি, আমরা গরিষ্ঠ জনগণ
অনাহারে অর্ধাহারে ভেসে যেতে চাই মেঘ
তোমার মতন; তবু
ভাসার ব্যাপারে হায়, আমাদের কিছুমাত্র
নিয়ন্ত্রণ নেই

তাই
আমাদের দিনগুলি বৃথা যায় বহিয়া পবনে…

২০/৭/১৯৯২

বর্ষামঙ্গল

হায় হায় রে
এই বরষায়
নাহি ভরসা
তাই নিশিদিন
ছোটে কাহ্নু
প্রাণ যমুনায়
ফোটে গাঁদাফুল

এর যুক্তি
এর তর্ক
নেই একদম

তাই কাহ্নুর
নয় অভিসার

২.
ফলে প্রাণনাথ
গাহ বাদলের
ধারা মমসাথ
নিজ চরকায়
ঢালো কেরোসিন
ঢালো মনপ্রাণ
ঢালো বৃষ্টির

দিন যায় রে

১৮-১৯/৬/১৯৯২

kalidas1

Flag Counter

শিক্ষা

শিক্ষা নেবো এই সূত্রে
দুইশত তেরো মাথা ধারণ করেছি।

অবিদ্যা-আসক্ত গুরু দিব্যজ্ঞানবান
চোখ বুঁজে ঢেলে দেন
আলোর সন্ধান।

শিখে নেই ব্যাকুল হৃদয় উন্মাতাল
সকাল শিক্ষার মূল; গুরুর অধিক গুরু হয়ে
ছড়াই বিদ্যার তেজ আকাশপাতাল–

অসহশিক্ষিকাবৃন্দ ঢুকে পড়ে স্নায়ুপথে
কালো চশমা হাতে
শাদা চোখ ডুবে যায় যৌনধারাপাতে।

৮/৭/১৯৮৯

kalidas1

Flag Counter

মনসা

উজানে ভেসেছি গঙ্গা গা ভরতি মাদুলি কবজ কড়ি হাত পা জড়িয়ে আছে শরীর জড়িয়ে আছে শীতল শরীর আহা মন আমার উথালপাতাল কত খাল বিল নদী নদ পেরিয়ে এলাম তোকে বোঝাব কেমনে গঙ্গা কী যে সুখে ভেসে যাই ডানে বাঁয়ে হা পিত্যেশ ছড়ানো সংসারে কত ভাই বন্ধু আত্মীয় স্বজন দেয় উলুধ্বনি নায়ে নায়ে আবাল্য সখীরা ডাকে না যাও রে ভরা গাঙে ডিঙা ডোবে ডিঙা ভাসে দেবর ননদ জা সতীন শাশুড়ি চলে পাশে ভেসে জলটানে চলেছি অবলা নারী বিভাজিত জিহ্বার আশ্রমে

 

২২/৩/১৯৮৯

 

Flag Counter

দাবা

আমরা বংশানুক্রমে হাতিশালে ঘোড়াশালে হাতিঅন্ত ঘোড়াঅন্ত প্রাণ নিয়ে পড়ে থাকি অবসরে দাবা খেলি আমি আর জ্ঞানপাপী খাকি দারোয়ান খেলি তাই গুটিশুটি পড়ে থাকা গুটি খাই হাতি ঘোড়া চাঁদ মারি ইচ্ছামতো কখনো বা খাকির যে আটজন কালো কাফ্রি সৎভাই ধরে ধরে তাদের পুড়িয়ে মারি গন্ধ শুঁকে নৌকা আসে ভোগ চায় রাজামন্ত্রীদানবদেবতা দেয় রাজকন্যা ভেট আমি নতুন নিয়মে খেলি শক্তিমদমত্ত বিষকন্যা নিয়ে চৌষট্টি পর্যায়ে খুলে পরাবাৎসায়ন

১৫/৩/১৯৮৯